সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৩

 ইসলামি বিপ্লব কিভাবে সম্ভব? ভদ্র মার্জিত রুচিশীল ভাষায় একটি উন্মুক্ত বিতর্ক।
---------------সোহাগ আহমেদ Yesterday at 02:23







রবিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৩

শিয়ারা উম্মাহ থেকে বিভক্ত



ইরানের জন্য যাদের এত গর্ব , তাদের জন্যই মূলত এই লেখা !!
 
 
কেন বলা হয় , " শিয়ারা উম্মাহ থেকে বিভক্ত " ? এবং উম্মাহর প্রতি সাম্প্রতিক ইরান এর ভূমিকা :

ইরান একটি শিয়া সম্প্রদায়ের মুসলিম সঙ্খাগরিস্ত একটি রাস্ত্র । যার রাস্ত্র ধর্ম " শিয়া ইসলাম " । বর্তমান ইরান নিজেদের কে " ইসলামী প্রজাতন্ত্র " হিসেবে দাবী করে এবং বেশ কিছু শরিয়াহ আইন এর বাস্তবায়ন দেখা যায় । স্বভাবত এখানকার প্রধান ধর্মীও নেতারা ও " শিয়া " । ইরানের আয়াতুল্লাহ খামেনিকে মোটামুটি সারা বিশ্বের শিয়া মুসলিম রা প্রধান ধর্মীয় নেতা হিসেবে উল্লেখ করে । আর আহমেদই নেজাদ ছিলেন এ দেশটীর ৬ তম রাষ্ট্রপতি । রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি একজন আদর্শ - সৎ মুসলিম নেতা , এবং যা হওয়া জরুরি , তিনি ইসলামী রাজনীতির একজন গুরুত্বপূর্ণ শুভাকাঙ্খি ।
ব্যাক্তি হিসেবেও অনেকেই তাকে পছন্দ করেন । ইরান এর রয়েছে একটি সার্থক সেনাবাহিনী , প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র , পরমাণু শক্তি - যা একটি মুসলিম রাস্ত্র হিসেবে খুব ই গর্বের বিষয় ।

আসল কথায় আসি ,

তারা যা বলে :
ইরান নিজেদের কে সব সময় মুসলিম সংখ্যাগরিস্ত দেশগুলোর শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে দাবী করে , তারা বলে ইসরাইল এ একক ভাবে হামলা করার কথা , তারা বলে ইসরাইল এর কোন জাতিসত্তা নাই তারা জোরপূর্বক আমেরিকার সাহায্যে ফিলিস্তিন দখল করে তাদের সীমানা বাড়াচ্ছে এবং মুসলিম দের উপর ইহুদিরা গণহত্যা চালাচ্ছে । তারা হিজবুল্লাহ নামক একটি শিয়া গেরিলা বাহিনিকে অর্থ - অস্ত্র সহায়তা দেয় , যারা বলছে আমরা ইসরাইল বিরোধী ।

তারা যা করছে :
কুলাঙ্গার - বেজন্মা " বাসার আল আসাদ " কে আমরা মোটামুটি সবাই তার ব্যাপারে জানি । একনায়কতন্ত্রে বিশ্বাসী এই শিয়া নেতার কুকর্মের উদাহরন দিয়েও শেষ করা যাবে না । বাসার মূলত ধর্মনিরপেক্ষ সেকুলার পন্থি রাজনীতিতে বিশ্বাসী , এবং তার অনুসারী / সমর্থক রা সবাই শিয়া । তার পক্ষে আন্দোলনের সময় তার অনুসারীরা তাকে সেজদা করার মত প্রকাশ্য কুফরি তে মত্ত হতে দেখা গেছে । সম্প্রতি সে তার জনগনের ওপর সারিন রাসয়নিক অস্ত্র ব্যাবহার করে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে , যাতে কেবল ১৫০০ এর মত শুধু শিশু কিশোর রাই নিহত হয় । পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক চাপে সে তার রাসায়নিক অস্ত্র গুলো ধ্বংস করার নিশ্চয়তা দেন । বাসার এখন সিরিয়ার বিদ্রোহী দের হাতে অনেকটাই পরাজিত । তার সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সঙ্গে যুদ্ধের সময় দেদারসে নারী - শিশু হত্যা করে গেছে , কিন্তু বিদ্রোহীদের ব্যাপারে এমন কোন অভিযোগ নেই ।

বাসার এর পক্ষে সরাসরি যুদ্ধ করে সাহায্য করছে হিযবুল্লাহ - যার কথা উপরে বললাম , হিযবুল্লাহ ইরানী সাহায্যে তাদের যুদ্ধ ও training পরিচালনা করে আসছে ।
ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান কেন এই ধর্মনিরপেক্ষতাবাদি দের সমর্থন দিচ্ছে ??
ইরান এর আয়াতুল্লাহ খামেনি এবং আহমেদই নেজাজ , বাসার এর অন্তরঙ্গ বন্ধু । ( গুগোল করুন )
তারা কেন এই খুনি - একনায়কতন্ত্রীর বন্ধু ??
বিপুল পরিমান শিয়া সৈন্য পাঠিয়ে ও অস্ত্র সরবরাহ করে মূলত ইরান ই বাসার এর পক্ষে এখন পর্যন্ত যুদ্ধ পরিচালনা করে আসছে ।
ইরান কেন যুগ যুগ ধরে ইসরাইল কে শাসিয়ে আসছে , আর কত মুসলিম মারা গেলে ইরান - ইসরাইল এ তাদের ( মৌখিক ) হামলার বাস্তবায়ন করবে । মিসর ইস্যুতে ইরান কেন নিরব ?? কাশ্মীর ইস্যুতে কেন নিরব ??
বরঞ্চ ইরানে সুন্নিদের ওপর নির্মম নির্যাতন হলে ইরানী মিডিয়া খুব সহজেই তা লুকিয়ে ফেলে ।
শাম আর হিন্দুস্তানের প্রতি হিজরতের জন্য মুসলিম মুজাহিদ রা খুব ই আগ্রহী , কেননা সেখানে হিজরতের জন্য স্বয়ং নবীজি ( সা) দিকনির্দেশনা দিয়েছেন ।
অথচ এই ইরানী শিয়ারা , ইরানী সুন্নিদের সিরিয়ায় যাওয়ার ব্যাপারে প্রমাণ পেলে কঠিন শাস্তির সম্মুখীন করছে ।
আর এই হচ্ছে মূলত শিয়াদের আসল চেহারা , যারা কেবল শিয়াদের জন্য , মুসলিম উম্মাহর জন্য তারা না ।
পূর্বেও তারা মুসলিম উম্মাহর জন্য কোন উপকারেই আসেনি ।

আরও কিছু খুব গুরুতপূর্ণ Link - video ,  এ দেওয়া হল ।


https://www.facebook.com/WakeUpYaAhlulSunnah

Farabi Shafiur Rahman ভাই এর পোষ্ট : https://www.facebook.com/.../470262132987020

  রাজনৈতিক বিশ্লেষণঃ https://www.facebook.com/.../653268874691350

 সোহাগ ভাই এর পোষ্ট : https://www.facebook.com/Sohugsky/posts/446902798763425

 দেখতে পাবেন শিয়াদের কুফরি - শিরকী : অমানবিক অত্যাচার : http://www.youtube.com/watch?v=sLNLc6KgfLM
Produced in India, this is an emotional documentary that combines some of the mo...See more
 
 https://www.facebook.com/photo.php?fbid=328676747277690&set=a.301201170025248.1073741828.301094106702621&type=1&relevant_count=1&ref=nf
 


গনতান্ত্রিক উপায়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা








আমার একটি প্রশ্ন...
আমি ওভার শিওর তারা উত্তর দিতে ব্যর্থ হবে কারন এটা ওদের সিলেবাসে নাই... [এখন পর্যন্ত কেউই উত্তর দিতে পারেনি]

গনতন্ত্র দিয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করার ব্যাপারে ব্রাদারহুডের অভিজ্ঞতাটাকে একটি নিছক দুর্ঘটনা হিসেবেই ধরে নিলাম। একদিকে রাঘব বোয়ালদেঁর মার খেয়ে প্রতিবাদ না করেই বেশী উদারতা দেখানো অপরদিকে হরতাল মিছিল মিটিং দিয়ে সাধারন জনতার ক্ষতি করাটা কেমন জ্বিহাদ আমি জানিনা। আমার আরও মাথায় আসেনা 'গনতন্ত্রের প্রবর্তক রাসুল সাঃ' (নাউজুবিল্লাহ) এই ধরনের মিথ্যা জাল ও বানোয়াট দলিলহীন কথাবার্তা যুক্তি হিসেবে দাঁড় করাতে আপনাদের বিবেকে বাধে কিনা।

আমি এসব জানতেও চাইনা। এখন আমি জানতে চাই, গনতন্ত্র দিয়ে আপনারা কিভাবে ইসলাম কায়েম করবেন? কিসের পর কি?

বিষয়টি কি এইরকম যে, আপনারা গনতান্ত্রিক উপায়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা হাতে পেয়েই কি ঘোষনা দেবেন 'আজ থেকে বাংলাদেশে খিলাফাত প্রতিষ্ঠা হলো'?
ভেবে দেখুন তো তখন যেসব দল নির্বাচনে হেরে গিয়েছে তারা, ধর্মনিরপেক্ষ, নাস্তিক, ভন্ড Rand মুসলিম এবং এদেশের অগনিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারীরা কি আপনাদের সেই ঘোষনা মেনে নিবে? তারা আবার শাহবাগে গিয়ে বিরিয়ানীর হাট বসাবে, রাতদিন গলা ফাটাবে 'তালিবানী রাষ্ট্র হটাও, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র চাই'।

একদিকে চূতিয়াদের এই আহাজারী অপরদিকে গনতন্ত্রের মুল চাবীকাঠি আমেরিকা ওপর থেকে আপনাদের চাপ দিবে। তখন দেশে কত মিনিট খিলাফাত রাখতে পারবেন এটা চিন্তা করুন ভাই।

আল্লাহ আপনাকে একটি সুস্থ মস্তিস্ক দিয়েছেন খোলা মনে চিন্তা করুন, আল্লাহ আপনাকে সুন্দর জীবন দিয়েছেন এই জীবন আপনি গনতন্ত্রের জন্য দিচ্ছেন। যদিও নিয়াত সহিহ কিন্তু পদ্ধতিটা কি সত্যিই কার্যকর?
চিন্তা করুন ভাই। এটাই কি সেই জীবন যা আপনি চেয়েছিলেন? এই জীবন কি আপনি আল্লাহর জন্য না দিয়ে সামান্য ভুলের কারনে অন্য দিকে দিবেন?

গনতন্ত্র মানুষকে কি দিয়েছে? মিশরে আমাদের হাজার মুসলিম ভাইয়ের লাশ, বাংলাদেশে হাজার আলেমদের লাশ, গোটা বিশ্বে কেবল মুসলিমদের হত্যা করার জন্যই গনতন্ত্র আবিষ্কার করা হয়েছে।

নেতাদের নিকট গোলামী করাটাই কি হিকমাহ হতে পারে? আপনি কি এমন কৌশল অবলম্বন করবেন যেটাতে নিজেদের ঈমানের প্রভাব ফেলে? আপনি কি গনতন্ত্র নামক হাজার মুসলিমের হত্যার বোমকেই হিকমাহ হিসেবে বেছে নিবেন? নাকি রাসুল সাঃ এর তরিকা অনুযায়ী উম্মাহ হত্যার প্রতিবাদে কুরআনের ডাকে সাড়া দিবেন?

Your Life, your Choice...
আচ্ছা মানলাম বাংলাদেশে জাময়াত ই ইসলাম গণতন্ত্র দিয়ে হিকমাহ পালন করছে।

মিশরেও এতদিন মুসলিম ব্রাদারহুড গণতন্ত্র দিয়ে হিকমাহ পালন করত। এখনও কি তারা ওই হিকমাহই বহাল রাখবে না হিকমাহ পাল্টাবে?

তাদের যুক্তি,

১. কাবার ভিতর মূর্তি থাকার পরও রাসূল (স) এর দিকে ফিরে নামায পড়ত। তাই গণতন্ত্র যতই শিরকপূর্ণ হোক তা জায়েজ!

-আচ্ছা, নামাযের সময় কি কাবার ভিতরের দেব দেবিগুলোর নাম নেয়া হত?? কিন্তু আপনারা ঠিকই গণতান্ত্রিক অধিকার বলে হরতাল দেন, ককটেল ফাটান, ভাঙচুর করেন। আবার ভোটও চান। আবার ইশতিহারে এও বলেননি না যে ব্রিটিশ আইন বাদ দিয়ে শরীয়াহ্ আইন আনবেন!!

২. রাসূল (স) কাফিরদের সাথে হুদাইবিয়ার সন্ধি করেছিল, তাই আম্লিগ কাফির ও বিন্পি মুনাফিকের সাথে জোট, চুক্তি, প্রতিদ্বনদ্বীতা করা যাবে এবং তাদের নারী নেতৃত্বও মেনে নেয়া জায়েজ!

- আচ্ছা, রাসূল (স) হুদাইবিয়ার সন্ধিতে এও লেখা ছিল যে চুক্তি ভঙ্গি হলে কি কি করা যাবে, আপনাদের চুক্তিতে কি লেখা আছে??



এবার কিছু কথা,আপনাদের কথা যে গণতন্ত্র দিয়ে আপনারা ক্ষমতায় গিয়ে শরীয়াহ্ আনবেন। আমরাও আশা করি। কিন্তু তখন কি গণতন্ত্র বিলুপ্ত করবেন?? নাকি গণতন্ত্রই রেখে দিবেন??

প্লিজ উত্তর দিবেন। একদিকে ভাসাভাসা কথা, অপরদিকে জোটের মার্কিন ম্যান্ডেট, কোনটা প্রায়োরিটি পাবে??

কুরআনের খিলাফাতের সঠিক পদ্ধতি জানতে এই বই পড়ুন, "দ্বীন কায়েমের সঠিক পথ"। লিংক
 http://ia701204.us.archive.org/28/items/11DinKayamarSothikPoth/11DinKayamarSothikPoth.pdf




খোরাসান থেকে কালো পতাকাবাহী দল

আশ্চর্য হলেও সত্য..! 
আফগানিস্তানে তালিবান( যাদের কথা হাদিসে এসেছে) দের বিরুদ্ধে, আফগানিস্তানের সাধারণ মুসলিমদের বিরুদ্ধে আমেরিকাকে সহায়তা করা, ইরাকে প্রায় ১৫ লক্ষ মুসলিমের হত্যার জন্য, ধর্ষণের জন্য আমেরিকাকে সাহায্য করা, সিরিয়াতে বাশার আল আসাদ কে লক্ষাধিক মুসলিমের রক্ত ঝরানোর জন্য সহায়তা করা, এই পর্যন্ত লক্ষাধিক বার আমেরিকা-ইসরায়েল কে উড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার অভিনয় করা, প্রচণ্ড সাহাবি (রা) বিদ্বেষী, আবু বকর, উমর (রা) র মত সাহাবি (রা) দের গালাগালি করা, উম্মুল মুমিনিন আইশা (রা) এর চরিত্র নিয়ে কথা বলা, কুরআন বিকৃত হয়ে গেছে এবং করেছে কতিপয় সাহাবি (রা) রা এই আকিদায় বিশ্বাস করা, আলী (রা) এবং ১২ ইমাম কে আল্লাহর সাথে শরীক করা ইত্যাদি ইত্যাদি বিশেষণে ভূষিত ইরান কে নিয়ে কোন রকম কথা বললে এদেশের একটি বিশেষ দল এর গায়ে একেবারে আগুন ধরে যায়! হিকমার নামে "গনতন্ত্র" নামক কুফুরি মতবাদ কে ধারণ করা, নারী নেতৃত্ব মেনে নেওয়া এই বিশেষ দলের সদস্যবৃন্দ আর কিছু পারুক বা না পারুক তারা হরতাল, জ্বালাও পোড়াও এর মাধ্যমে সাধারণ মুসলিমদের অগণিত ক্ষতি করতে একেবারে পাকাহস্ত! যদিও মূল শত্রুদের টিকিটিও তারা ছুতে পারেনা এবং কিছু হলেই লক্ষ লক্ষ মুসলিমের রক্তের জন্য দায়ি কুফফার আমেরিকার দরবারে "প্রভু বাঁচাও আমাদের" বলে মাথা ঠুকতে বাকি রাখেনা! আর এই জ্বালাও পোড়াও করতে গিয়ে কেও মারা গেলে সেটাকে তারা স্বঘোষিত শহীদ হিসাবে রায় দেয়। তারা এদেশে কুরআনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায় যদিও তাদের নেতারা সংসদ সদস্য হওয়ার পরে এই দেশে ইসলামের কি খেদমত করেছে তা এই দেশের মুসলিমরা জানে! তারা এতটুকু বুঝেনা তাদের সগোত্রীয়রা ছাড়া কেও তাদের পছন্দ করেনা। আচ্ছা ধরে নিলাম তারা ক্ষমতায় এল শরীয়তের শাসন কায়েম করতে চাইল (ইরান পন্থি শরীয়ত / মওদুদি, যে মওদুদি সাহাবি (রা) দের সমালোচনা করার দুঃসাহস দেখিয়েছে, পন্থি শরীয়ত আর কি! ) যেটাই হোক, ধরলাম তারা চাইল, তারপর কি হবে সেটার শিক্ষা কি তারা মিশর থেকে নিবেনা? আসল প্রভুকে বাদ দিয়ে আমেরিকা তথা কুফফার দের প্রভু বানিয়ে, তাদের হুজুর বানিয়ে, সবদিক খুশি রেখে তারা শরিয়ত প্রতিষ্ঠা করতে গিয়েছিল। ফলে কি হল? হাজার হাজার মুসলিম পুড়ে ছাই হল মিশরে, রক্ত ঝরল অগনিত মুসলিমের! তবুও এরা শিক্ষা নিবেনা। বরং তারা সেই সমস্ত মুজাহিদ যারা তাদের সামান্য সম্বল দিয়ে হলেও, নিজের জীবন কে মুসলিম উম্মাহর জন্য, আল্লাহকে খুশি করার জন্য দিয়ে দেয় তাদের কে তারা জঙ্গি, সন্ত্রাসী নামে অভিহিত করতেও হয়ত কুন্ঠাবোধ করে না, যারা কিনা আল্লাহর শ্রেষ্ঠ বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত! এবং তাদেরকে যারা সমর্থন করে তাঁদের নিয়ে হাসি ঠাট্টা, ফাইজলামি তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে!! যার প্রমাণ বিভিন্ন সামাজিক ওয়েবসাইট! এই দলের সদস্যদের তাদের নেতাদের জন্য জীবন দিতে দেখা গেলেও (যা কিনা কুফফার, পৌত্তলিকরাও করে এটা কোন বিশেষ কিছুনা ) আল্লাহর রাসুল (সা) এর অবমাননার জন্য তাদেরকে অফিসিয়ালভাবে কিছুই করতে দেখা যায়নি। এদেরকে ভাই মনে করে কিছু বুঝাতে গেলে আর রক্ষা নেই, বাংলা ভাষার বিকৃতরূপ তখন তাদের থেকে প্রকাশ পায়, গালাগালি করতে তাদের মনে হয় এতটুকু বাধেনা! আফসোস এদের জন্য!! আফসোস!!!!!!
 
 
যারা জানেন না, তাদের জন্য-

আসুন আল্লাহর রাসুল (সা) এর কিছু হাদিস দেখিঃ

হাদিস নং-১। আবদুল্লাহ ইবনে হারিস থেকে বর্ণিত। রাসুল(সাঃ) বলেন,“পূর্বদিক(খোরাসান) থেকে কিছু লোক বের হয়ে আসবে যারা ইমাম মাহদির খিলাফত প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করবে এবং খিলাফত প্রতিষ্ঠা সহজ করে দিবে।”- সুনান ইবনে মাজাহ, খণ্ড ৩, হাদিস নং-৪০৮৮

হাদিস নং-২। আবু হুরাইরা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুল(সাঃ) বলেছেন, “খোরাসান থেকে কালো পতাকাবাহী একদল লোক বের হয়ে আসবে। পৃথিবীর কোন শক্তিই তাঁদেরকে থামাতে পারবেনা এবং সবশেষে তারা জেরুজালেম পৌছবে এবং সেখানে তারা তাঁদের বিজয়ের পতাকা উড়াবে।”-জামে আত তিরমিজি।

হাদিস নং-৩। থাওবান(রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুল(সাঃ) বলেন, “যদি দেখ খোরাসান থেকে কালো পতাকাবাহী দল বের হয়ে আসছে তবে অবশ্যই তাদের সাথে যোগদান করবে। এমনকি এর জন্যে যদি বরফের উপর হামাগুড়ি দিতে হয় তাও……………।”- মুসনাদে আহমাদ, ইবনে মাজাহ, আল হাকিম।

তাহলে এখন স্বাভাবিকবভাবেই প্রশ্ন জাগে যে কোথায় সেই ঐতিহাসিক খোরাসান?

খোরাসান বলতে আল্লাহর রাসুল (সা) এর আমলে মোটামুটি সমগ্র আফগানিস্তান, পাকিস্তানের কিছু অংশ, ইরানের কিছু অংশ এবং উজবেকিস্তানের কিছু অংশ বুঝানো হত। তবে আফগানিস্তান হচ্ছে খোরাসানের কেন্দ্রবিন্দু অর্থাৎ Afganistan is the heart of Khorasan.এখন ব্যপার হল, এই খোরাসানে যে দলটা আছে তাদেরকে দুনিয়াবাসি তালিবান হিসাবে চিনে! এই আফগান যোদ্ধাদের পতাকা হল কালো। এদেরকে এখন পর্যন্ত কেও পরাজিত করতে পারেনি, আলহামদুলিল্লাহ। ১৮৩৯, ১৮৭৮ এবং ১৯৪২ সালে তৎকালীন সুপারপাওয়ার ব্রিটিশরা কলোনি করতে গিয়েছিল, কিন্তু এই ৩ বারই শোচনীয় পরাজয় ঘটে এই ব্রিটিশদের! ১৯৪২ সালে আক্রমন করা ১২০০০ সৈন্যের মধ্যে মাত্রে ১ জন পালিয়ে যেতে পেরেছিল। একটি প্রবাদ বাক্য ছিল-ইংরেজদের রাজ্যে কখনও সূর্য ডুবেনা। কিন্তু সেই ইংরেজদের চেরাগই আফগানিস্তানে জ্বলতে পারেনি! ১৯৭৯ সাল থেকে শুরু হওয়া ১০ বছরের উপরের আফগান রাশিয়া যুদ্ধে তৎকালীন রাশিয়া আধুনিক বিমান,ট্যাঙ্ক, অস্ত্রশস্ত্র ইত্যাদি সহ প্রতিদিন প্রায় ২০০ কোটি টাকার উপর খরচ করার পর অবশেষে সোভিওত ইউনিওন ভেঙ্গে খানখান হয়ে যায়!টুইন টাওয়ার এর হামলার পর সন্ত্রাসী বুশ আফগানিস্তান আক্রমণ করে। দীর্ঘ প্রায় ১০ বছরের উপরের যুদ্ধে ন্যাটো জোটের ২৮ টা দেশ, সাথে আরও চুনোপটি ২০ টা দেশ, সবমিলিয়ে ৪৮ টা দেশ, তাদের সর্বচ্চো টেকনোলজি নিয়ে, বিলিয়ন-বিলিয়ন ডলার খরচ করে,আধুনিক বিমান,ড্রোন, অত্যাধুনিক মরনাস্ত্র ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি নিয়ে কাদের বিরুদ্ধে লাগতে গিয়েছিল? লাগতে গিয়েছিল, যাদের পায়ে একজোড়া জুতা পড়ার সামর্থ্য ছিলনা, একবেলা চা দিয়ে রুটি ভিজিয়ে খায় তো বাকি ২বেলা কোন খবর নেই, সেই তালিবান দের সাথে! এখন সম্মিলিত ন্যাটো জোটের কি অবস্থা? অবস্থা হল-"ছাইড়া দে মা,কাইন্দা বাঁচি "!!!!! আলহামদুলিল্লাহ!!!... ন্যাটো জোট এর প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রচুর সৈন্য হারানোর পর তারা এখন পালাতে পারলে বাঁচে ! আর তালিবানদের সাথে শান্তি চুক্তি করার জন্য পিছে পিছে ঘুরছে!!!...যদিও দালাল মিডিয়াগুলি সবকিছু ভিন্নভাবেই তুলে ধরে!
বিস্তারিত জানতে নিচের লিংক ঘুরে আসতে পারেন, ইনশাআল্লাহ!

1. http://www.youtube.com/watch?v=S7uSqWi_7o8
2. http://www.youtube.com/watch?v=NT8of32nFuY
3. http://gurabamedia.wordpress.com/2012/11/10/তালিবান-আফগানিস্তান-ইসর/
4. https://www.facebook.com/photo.php?fbid=335569019921796

 
 
 
 
 
 
 
 
ধিক্কার সেই সমস্ত নামধারী মুসলিমদের, যারা মুসলিম পরিচয় বহন করেও পশ্চিমা বিশ্বের দালালি করে, তাদের কালচারকে আধুনিকতার মানদণ্ড হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে তা বেছে নিয়েছে!!