মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০১৪

কার্ল মার্কস এর গণতান্ত্রিক বানী

কার্ল মার্কস এর যে বিখ্যাত বানী গণতান্ত্রিক বুদ্ধিজীবীরাও ব্যবহার করে, তা হলঃ 'ধর্ম হল জনগনের জন্য আফিম' (Religion is the opium of the masses)। আর আমি বলি, "গণতন্ত্র হল জনগণের জন্য আফিম' (Democracy is the opium of the masses)।
ভারতে বিজয়ী এমপিদের মধ্যে এবার ৮৬ শতাংশই নাকি কোটিপতি, আর ওপর দিকে গড়ে মাসে ২ হাজার ২৫০ টাকায় সংসার চালায় সেই দেশেরই ২৭ কোটি মানুষ, ২২ শতাংশ মানুষের বাস দারিদ্র্যসীমার নিচে। এই ভুখা নাঙ্গা অত্যাচারিত শ্রেণীই কিন্তু আবার বিজেপি কে ভোট দিল যে দলের ৮৬% সংসদ সদস্যই হল কোটিপতি! নাম *তৃণমূল* কংগ্রেস হলেও, পশ্চিমবঙ্গ থেকে তাদের যে ৩৪ জন এবার সংসদ সদস্য হয়েছেন তাদের মধ্যে ২১ জনই কোটিপতি। মোট ৫৪৩ জন সংসদ সদস্যের প্রায় ৯০ শতাংশই কোটিপতি। অতীতে কংগ্রেস "১০০ দিনের কাজ" প্রকল্প চালু করেও তেমন লাভ হয়নি। আবারো গনতন্র নামক গাঁজা সেবন করানো হল আসক্তদের।
এছাড়াও ৩৪ শতাংশ 'এম পি' ফোজদারি মামলার আসামি। ১১৬ জনের বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অপরাধে যুক্ত থাকার অভিযোগ। ১১২ জনের বিরুদ্ধে রয়েছে খুন, খুনের চেষ্টা, অপহরণ, ডাকাতি ও ধর্ষণের অভিযোগ।
আবারো বলছি - গণতন্ত্রের **কাল্পনিক** সংজ্ঞার দিকে যাবেন না, বরং যেটা ভারতে দেখলেন এটাই **পুঁজিবাদী গণতন্ত্র**। পৃথিবীর ইতিহাসে আজ পর্যন্ত ভাল কিছু এই পুঁজিবাদ ও তার গণতন্ত্র নামক নেকড়ে দিতে পারেনি। তারপরও বলা হয় গনতন্রের চেয়ে উত্তম কোন ব্যবস্থা নেই, তাই আরটিফিশিয়ালি একটা "নেশা" তৈরি করে রেখেছে এই ড্রাগ লর্ডরা। আমরা এখন এই নেশায় অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি; তাই নেশার টক উঠলে *গণতন্ত্র* বলতে বলতে মুখের ফেনা বের হয়ে আসে আমাদের। তাই কার্ল মার্ক্স এর পুরো উক্তিটিতে Religion এর বদলে Democracy বসিয়ে দিলামঃ
"Democracy is the sigh of the oppressed creature, the heart of a heartless world, and the soul of soulless conditions. It is the opium of the people".





Weekly Food costs more than a third of their wages. Cellphones, the men's lifeline to the world they left behind, take another cut. And the annual raises they were promised have not materialised. Even working 11 hours a day, six days a week, they struggle to send home much more than $100 a month.



















গনতান্ত্র ও Sex Scandal

 

গনতন্ত্রের অন্যতম জনপ্রিয় শ্লোগান হলো , এর মাধ্যমে সৎ ও যোগ্য ব্যাক্তিকে জনগণ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি(এই প্রতিনিধি আবার খলীফা নয় ) নির্বাচন করবে । শুনতে কিন্তু খুব ভালই লাগে । এবার আসুন একটা উদাহারন দেখি -

ধরুন আপনি খুব সৎ একজন মানুষ , সমাজে আপনার খুব নাম ডাক আছে । তার পাশাপাশি সমাজের অসঙ্গতি , রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখে কি যায় এই নিয়েই আপনি সবসময় চিন্তিত । এই অবস্থা পরিবর্তনের জন্য সিদ্ধান্ত নিলেন জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবেন । এইবার তাহলে নির্বাচনে দাঁড়ানো লাগবে । এইবার পড়বেন আসলে প্যাঁচে । জনসমর্থনের জন্য আপনার নির্বাচনি প্রচারণা করা লাগবে । মনোনয়ন পত্র কেনার জন্য ফি লাগবে সেটা নাহয় বাদ দিলাম । প্রচারণার মধ্যে অনেকে টাকা দিয়ে ভোট কেনে , আচ্ছা আপনি তাও কিনলেন না ; কিন্তু সভা সমাবেশের খরচা পাতি টা কিন্তু আপনার পকেট থেকেই যাবে । কিন্তু পর্যাপ্ত টাকার অভাবে আপনি প্রচারণা ঠিকমত করতে পারলেন না । ফলস্বরূপ নির্বাচনে আপনার প্রতিপক্ষ জনাব "পুকুরচোর" জয়ী হয়ে গেল ।

আসলে একজন ব্যাক্তি যতই সৎ হোক না কেন পয়সা ছাড়া তার নির্বাচনে দাঁড়ানো অমূলক । গনতান্ত্রিক নির্বাচনের মানদণ্ড আপনি ভাল না খারাপ সেটা নয়, মানদণ্ড হচ্ছে টাকা । এই টাকা যদি কোন সন্ত্রাসীর কাছে থাকে তবুও গনতন্ত্রের মানদণ্ড অনুযায়ী সে নির্বাচন করার যোগ্য । কয়েকদিন আগেই তো জনৈক মাফিয়া এক এলাকার মেয়র নির্বাচনে দাড়িয়েছিল ।কয়েকদিন আগে একজন প্রতিমন্ত্রি অথবা এম পি একটি অনুষ্ঠানে পুরষ্কার হিসেবে ক্রেস্ট দেয়ার সময় বলেছিল , তিনি ক্রেস্ট চান না টাকা চান , কারন অনেক খরচ হয় !! সুতরাং আপনার যদি টাকার ধান্দা না থাকে তাহলে গনতন্ত্রের এই নীতির সাথে খাপ খাওয়ানোটা হবে কোষ্ঠকাঠিন্যের সময় মলত্যাগের চেষ্টা করারই নামান্তর ।

যাই হোক নির্বাচনে জয়ী হবার পর প্রচারণাতে যত টাকা খরচ হয়েছে সেসব টাকা উসুলের চিন্তা আসাটা স্বাভাবিক । অযুত পরিমান বেতনে প্রচারনার সময় ধার দেনা শোধ করা অসম্ভব । এখন এই অসম্ভব কে সম্ভব করার জন্য যেকোন মূল্যেই চেষ্টা করে থাকে রাজনীতিবিদরা । যেহেতু গনতান্ত্রিক প্রতিনিধিদের টাকার ধান্দা থাকে তাই এই টাকা অসৎ উপায়ে হলেও সে উসুল করে থাকে । এই কারনে নির্বাচনের আগে কোন “জনপ্রতিনিধির (!?)” যে পরিমান সম্পদ থাকে, ক্ষমতায় আসার পর সেটা চক্রবৃদ্ধি হারে বেড়ে যায় । মোটকথা গণতান্ত্রিক রাজনীতি হলো একটা ব্যবসা , প্রথমে একটু খরচের ঝাক্কি থাকলেও পরে শুধু লাভই লাভ । এইজন্যেই ব্যবস্থাটার নাম পূঁজিবাদ নয় “গনতান্ত্রিক পূঁজিবাদ । ”
তাই এখনো যদি মনে করে থাকেন এই দেশে বা অন্য যেকোন দেশে নির্বাচনের মাধ্যমে শাসকের চেহারা পাল্টালে শান্তি নেমে আসবে তারা আসলে বোকার স্বর্গে বাস করছেন । তবুও দেখবেন ভারতে এক গনহত্যাকারী প্রধানমন্ত্রী হয়ে গিয়েছে দেখে অনেকেই অভিনন্দন জানিয়ছেন । আসলে গনতন্ত্র তো গনহত্যাকারীদেরকেই ক্ষমতায় বসাবে । কিন্তু যারা অভিনন্দন জানাচ্ছেন তারা হয় বোকার স্বর্গে আছেন আর নাহলে তারাও গনতন্ত্রের সুবিধাভোগী । জানেনই তো চোরে চোরে মাসতুতো ভাই ।


 আয়িশা রাঃ এর বাল্যবিবাহ নিয়ে যেমন গোশতখেকো মুসলিমদের মাঝে সংশয় রয়েছে তেমনি নাস্তিকের রয়েছে এই টপিকের পিছনে কুকুরের মত লেগে থাকা যাতে কিছু সস্তা মুসলিমের নিজেদের মত কাফির বানাতে পারে।

হাদিসে এসেছে রাসুল সাঃ আয়িশা রাদি'আল্লাহু তা'আলা আনহা কে বিবাহ করেন তখন আয়িশা রাঃ এর বয়স ছিল মাত্র ৬ বছর। আর যখন প্রথম স্বামীর ঘরে তথা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আসসাল্লাম এর ঘরে প্রবেশ করেন তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ৯ বছর।

রাসুল সাঃ এর জন্মের পুর্বে থেকেই আরবে মেয়েদের জ্যান্ত পুঁতে ফেলা হতো। মেয়ে জাতি জন্ম নিলে অভিশাপ মনে করা হতো। মেয়েদের জন্মের পরই মেরে ফেলা হতো। অথচ কাফিররা এই বিষয়ে কোন কথাই বলেনা, তারা দৌড়ে এসে ইসলামের পিছনে কুকুরের মত গন্ধ শুকতে থাকে কোন কিছু পাওয়া যায় কিনা!

এই স্ট্যাটাস যারা পড়ছেন দয়া করে আপনারা আপনাদের নানি বা দাদিকে (বেঁচে থাকলে) জিজ্ঞেস করুন তো তাদের বিয়ে হয়েছিল কত বছর বয়সে?
বাংলাদেশে আমাদের দুই জেনারেশন আগে যাদের বিয়ে হয়েছে তাদের অধিকাংশই ছিল ১২/১৩ বছর বয়সী। আমার নিজের নানির যখন বিয়ে হয় তখন তার বয়স ছিল ১২ বছর।
যদি তাইই হয় তবে আমার নবী সাঃ এর চরিত্র নিয়ে কিছু বলার আগে আপনার দাদা/নানাকে ধরে পেটান কারন তিনি তো বাল্য বিবাহ করেছেন।
আপনার নানা/দাদা একবিংশ শতাব্দীতে এসে বাল্য বিবাহ করলে বর্বর হয়না আর নবী সাঃ ১৪০০ বছর আগে বিবাহ করলে সেটা বর্বর?

ভৌগলিক কারনে মধ্যপ্রাচ্যের মেয়েরা কম বয়সে যৌবনপ্রাপ্ত হয়। আরবে তৎকালীন মেয়েরা ৮-৯ বছরে সাবালিকা হতো। হিসেব করে দেখাই যায় রাসুল সাঃ ঠিক সময়েই বিয়ে করেছেন।
বাংলাদেশ মেয়েরা ভৌগলিক কারনে ১৫-১৬ বছরে যৌবনপ্রাপ্ত হয়।

বাল্য বিবাহ!
আহা ইহা কতইনা নিষ্ঠুরতা(!) বর্বরতা(!)...
তো এই নিষ্ঠুর (!) কাজে তৎকালীন কাফিররা এতটুকু বাধা দিলনা কেন? তারা কি জানতোনা যে মোহাম্মাদ (সাঃ) যা করছে তা অন্যায়?
অথচ এই সময়টাতে মুসলিমদের সামান্য ভুলের আশায় কাফিররা ওঁত পেতে থাকতো। এই সময় মুসলিমদের উপর না ছিল জ্বিহাদ ফরজ কিংবা শাসনামল। অথচ এই সময়টাতে মুসলিম নবী সাঃ কিনা বাল্য বিবাহ করে বসলো অথচ মক্কার এত বড় বড় কাফির কেউ কোন প্রতিবাদ করলোনা।
কেন? কাফিররা অলটাইম কি বোকাই হয়?

(সংক্ষেপে যখন কথা বোঝানো যায় তখন বিস্তারিত রচনা লিখে নিজের পাণ্ডিত্য জাহির করার প্রয়োজন হয়না। বরং তারাই ব্যর্থদের একজন যারা পৃষ্ঠার পড় পৃষ্ঠা লিখেও বোঝাতে পারেনা স্ট্যাটাসের অর্থ কি। অর সামাঝদারকে লিয়ে ইশারাহ-ই কাফি হ্যায়)



কওমী মাদ্রাসার সেসব আলেমদের স্মরণ করছি যারা সত্য বলতে গিয়ে চাকরীচ্যুত হয়েছে মসজিদের ইমামের দায়িত্ব থেকে মসজিদ কমিটি নামক শাসক গোষ্ঠীর অন্তরঙ্গ লোকদের দ্বারা , চরম অর্থ কষ্টে দিনাতিপাত করছে ।। আল্লাহর ইচ্ছায় এদের ভেতর থেকেই একদিন বেরিয়ে আসবে ওমর মুখতার , হাকিমুল্লাহ মেহসুদ এর উত্তরসূরিরা ।। কারণ এরা দুনিয়ার বিনিময়ে আখিরাত কিনে নেওয়ার অন্তর্ভুক্ত মানসিকতাদের কাতারে যদিও এরা নিছক অপরিচিতদের কাতারে ।। আল্লাহ এসব সম্মানিতদের উত্তম প্রতিদান দান করুক ।।

অপরদিকে যেসব তথাকথিত বিশিষ্ট আলেম (??) অর্থ , পরিবার কিংবা তাগুতের নিকট সম্মানপ্রাপ্তির আশায় অবশেষে উম্মাহার সাথে প্রতারণা করে কুফর শক্তি এবং এদের দোসরদের তল্পিবাহকের ভূমিকায় অবতীর্ণ , এদের হাশর যেন আল্লাহতালা কুফর শক্তির দোসরদের কাতারেই করে ।।

যাই হোক আল্লাহ এভাবেই সত্যবাদী এবং প্রতারক মিথ্যাবাদি উভয়কে চিনে নিয়ে আলাদা করে নেন ।।
Abu Syeed Bhuiyan



বিল ক্লিনটন প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন অবস্থায় মনিকা লিউনেস্কির সাথে কতো কিছুই না করেছিল, কিন্তু একবারের জন্য কোন পশ্চিমা পণ্ডিত বলেনি রাষ্ট্র প্রধানের সেই কর্মকাণ্ডের জন্য আমেরিকা গণতন্ত্র ছাড়া হয়ে গিয়েছিল। বুশ অন্যায় ভাবে ইরাক দখল করেছিল এবং তেল, গ্যাস খনি সব লুটেপুটে খাওয়ার পর ২০০৮ সালে ক্ষমতা ছাড়ার আগে ABC চ্যানেল কে বলেছিলঃ ""The biggest regret of all the presidency has to have been the intelligence failure in Iraq"। কোন পশ্চিমা বুদ্ধিজীবী একবারের জন্যও বলেনি যে তাদের গণতন্ত্র দরকার নেই কারন বুশ গনতন্রের নামে পুর বিশ্বকে ধ্বংসের মুখে নিয়ে গেছে যার শুরু ইরাক দিয়েই। তারা গনতন্ত্রের উপযোগিতা বিচার করে **রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার দৃষ্টিকোণ থেকে, ব্যক্তি শাসক কি করল সেটা মুখ্য না**।

কিন্তু যখনি ইসলামী খিলাফত ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার কথা আসে তখনি দেখা যায় আলোচনাটা সিস্টেম (ব্যবস্থা) থেকে ঘুরে চলে যায় ব্যক্তি খলিফাদের দোষগুণের দিকে!! পশ্চিমা পণ্ডিতদের পাশাপাশি মুসলিম অনেক বুদ্ধিজীবীরাও বলেন, "খলিফা মামুন তো মুতাযিলা ছিল", "আব্বাসিও খলিফারা তো গ্রিক দর্শন নিয়ে নিয়েছিল", "খলিফা মু'তাসিম বিল্লাহ তো মদ খেতেন", "তুরস্কের ওসমানী খলিফারা তো ছিল মদখোর ও নারী লোলুপ" ইত্যাদি। এসব বলার মাধ্যমে ওনারা বোঝাতে চান খিলাফত আসলে কখনো ছিলই না অথবা/এবং থাকেলও তা খলিফাদের দোষত্রুটি দ্বারা কলঙ্কিত, তাই খিলাফার দরকার নেই।

হ্যা, খলিফা আল-মামুন আকিদার ক্ষেত্রে ভ্রান্ত মুতাযিলি চিন্তা গ্রহন করেছিল কিন্তু এই আল-মামুন এর সময় সুদানের নুবিয়া নামক জায়গার একটি জমি ক্রয় সঙ্ক্রান্ত ব্যাপারে খলিফা মামুন তার শরিয়াহ আদালত কে দিয়ে যে রায় দিয়েছিল তাতে মুগ্ধ হয়ে দলে দলে খ্রিস্টান মুসলিম হয়ে গিয়েছিল।

হ্যা, খলিফা মু'তাসিম হয়তো ব্যক্তিগতভাবে ভাল মানুষ ছিল না কিন্তু তা সত্ত্বেও খিলাফত ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা আমরা বুঝতে পারি যখন দেখি সেই মু'তাসিম এর সময়েই ইউরোপের বর্তমান মালটা দেশের এক মুসলিম নারীকে রোমান সৈন্যরা যখন অন্যায়ভাবে জেলে বন্দী করেছিল (কারন সৈন্যরা মার্কেটে মুসলিমাটির হিজাব ধরে টান দেয়ার কারণে তিনি সৈন্যদের সাথে ঝগড়া করেছিলেন), তখন ২৪ ঘণ্টার নোটিসে ইউরোপের রোমান সাম্রাজ্যের শক্তিশালী ঘাঁটি সেই মালটা দেশ (যেটা আমুরিয়্যা নামে পরিচিত ছিল) দখল করে নিয়েছিল খিলাফতের বাহিনী।

হ্যা, তুরস্কের ওসমানী খলিফারা হয়তো অনেক পাপাচারে লিপ্ত ছিল। কিন্তু তার পরও সেই খিলাফতের দুর্বল এক খলিফা আব্দুল হামিদের এক হুংকারেই ব্রিটেন ও ফ্রান্স রাসুলুল্লাহ (সা) কে নিয়ে তৈরি করা রুশোর ব্যঙ্গাত্মক এক নাটক মঞ্চায়ন বন্ধ করে দিয়েছিল।

তাই এই পশ্চিমা পণ্ডিত এবং তাদের চাটুকার ইসলামিক মোডারেট, প্র্যাগ্মাটিস্টদের যুক্তির এই ভণ্ডামিটা তুলে ধরা উচিত। কেন বাবা তোমরা গনতন্রকে বিশ্লেষণ করবা একটি সিস্টেম হিসেবে আর খিলাফতকে তুলাধুনা করবা খলিফাদের ব্যক্তিগত দোষ, ত্রুটি দেখিয়ে?!

তাই খিলাফত একটি শাসনব্যবস্থা, এটা খলিফাদের আমলনামা না। যেরকম ভাবে আমেরিকান গণতন্ত্র একটি শাসনব্যবস্থা, এটি ক্লিনটন-লিউনেস্কির সেক্স স্ক্যান্ডাল না।







শুক্রবার, ১৬ মে, ২০১৪

জামাত এখন হেকমত

۩۞۩জামাত এখন হেকমত۩۞۩
জামাতের রাজনীতি মানেই হেকমত, পৃথিবীতে একমাত্র হেকমতি সংগঠন, মোদি মওদূদীর হেকমতের জমের হাতে ইসলাম।
তারা ১৯৪৬/সে তত্কালিন বড় ইসলামী রাজনৈতিক দল, মুসলিম লীগের চরম বিরোধীতা করেছিল নির্বাচনের সময়। একমাত্র হেকমত অবলম্বন করার কারনে।
আবার ১৯৪৭/পাকিস্তান বিভক্ত হওয়ার সময় ভারতের পক্ষে দালালী করেছিল।শুধু মাত্র হেকমত অবলম্বন করার কারনে।
আবার ১৯৭১/স্বাধীনতা যুদ্ধে দলীয় ভাবে, আমাদের দেশ, বাংলাদেশের স্বাধীনতার, বিরোধীতা করে আমাদের বিরুদ্ধেই ওরা সংগ্রাম করেছিল। যাকে বলে খাচ রাজাকার, আর এটা তারা করেছিল একমাত্র হেকমত অবলম্বন করার কারনে।
এরপর হযরত হাফেজ্জী হুজুরের তওবার ডাকে যোগ না দিয়ে, বিএনপির পক্ষে দালালী করেছিল। শুধু মাত্র হেকমত অবলম্বন করার কারনে।
আবার ১৯৯৬/তে লীগের দালালী করে, দীর্ঘ ২৫/ বছর লীগকে এই দেশের ক্ষমতায় এনেছিল, ক্ষমতার ভাগ নিয়েছিল। শুধুমাত্র হেকমত অবলম্বন করার কারনে।
এরপর ২০০১/থেকে আজ পর্যন্ত বিএনপির দালালী করে আসছে। নেত্রীকে খুশি করে এমপি মন্ত্রীত্ব পেয়ে, দাপটে ক্ষমতার স্বাঁধ নিচ্ছে। আর নারী নেতৃত্ব হারামকে হালাল বানিয়ে রাজনীতি করছে। একমাত্র হেকমত অবলম্বন করার কারনে।
এই হেকমত অবলম্বন করার কারনেই ১৯৪১/২৬/ সে আগষ্টে জন্ম থেকে, আজ পর্যন্ত ইসলামের পক্ষে একটি মিছিল, বা অবরোধ, হরতাল ইত্যাদির ডাক, তাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে রাজপথে নেই।
এই হেকমত অবলম্বন করার কারনেই সবার আগে ভারত প্রীতি দেখিয়ে, অর্থাত্‍ ভারতের দালালী করে, মোদিকে অভিনন্দন জানিয়েছে। অপর দিকে ভারতীয় হেকমতের জমের হাতে ইসলাম, মোদির পা ছুয়ে দোয়া নিয়েছে, শুধু মাত্র হেকমতের কারনে।
এই সবই জামাতের রাজনৈতিক হেকমত So Dont miend
WrittenBy@ Asaduzzaman Khokon
























 জামাত যে ইসলামী দল নয় তা আবারো পরিস্কার হলো। এতকিছুর পরও যারা জামাতের পক্ষে সাফাই গায় আসলেই তারা হক্বানি মুনাফিক।



যে ছবি কথা বলে -যে ছবি নীরবে প্রশ্ন তোলে ......

ছবিতে - ভারতের হবু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানাতে এসে পা ছুয়ে চুমু খেয়ে সালাম করছে জামাতে ইসলাম হিন্দ এর কয়েকজন শীর্ষ নেতা । (!)
প্রভাবশালী পত্রিকা নিউইয়র্ক টাইমসের সূত্র ধরে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস ও ইন্ডিয়া লেন্স ক্যাপশানে লিখেছে ' New York Times Shows reality of Being (jamaate islami hind) Muslim Under Narendra Modi '

প্রসঙ্গত :এর আগে গতকাল শুক্রবার দুপুরে বাংলাদেশ থেকে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র পরেই নরেন্দ্র মোদিকে আগাম অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছিলো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ।

সূত্র লিংক - http://indilens.com/new-york-times-shows-reality-of-being-muslim-under-narendra-modi/



জামায়েতে ইসলামি বাংলাদেশের এটা কি হেকমার চুরান্ত হয়ে গেল না?? আই মিন একটু বাড়া বাড়ি রকম হেকমা ইউজ করা হয়ে গেল না (মদ খাওয়ার আগে বিসমিল্লাহ এবং খাওয়া শেষে আলহামদুলিল্লাহ বলার মত) ??
যেখানে নিজেকে আমেরিকান বলে গর্বিত শায়েখ ইয়াসির কাজি/কাদি পর্যন্ত মোদির ভারতের ক্ষমতা দখলের নিন্দা জানিয়েছে সেখানে জামাতে ইসলামি বাংলাদেশ মোদি সরকারকে জানালো অভিনন্দন!!! (লিংক কমেন্টে)

.বাহ!!! কি আচানক বিষয়!!!
ক্ষমা করবেন জামাতের ভাইয়েরা... আমার মনে হয় এখন সময় এসেছে আপনাদের দলের নাম থেকে ইসলাম শব্দটি বাদ দেয়ার।
আপনাদের মত এত সুন্দর একটি সম্পুর্ন গনতান্ত্রিক দলের নামের সাথে ইসলামের নামটা এখন আর ঠিক যায় না... একটু যেন বে মানাম লাগে (যদিও ইসলামের প্রতি আপনাদের একটা সফট করনার আছে এইটা ঠিক... কিন্তু কর্নারটাই ধিরে ধিরে সফট হইয়া গেসে... এইটাও ঠিক) ...
একটা কাজ করেন... দলের নামটা কিঞ্চিত পরিবর্তন করে নামদিন জামায়েতে বাংলাদেশ... এতে ব্র্যান্ডিংও চেইঞ্জ হবে... আর আশা করি গনতন্ত্রের পথে নতুন উদ্যোমে যাত্রা শুরু করতে পারবেন ... ইন শা আল্লাহ...
আপনাদের গনতান্ত্রিক যাত্রা শুভ হোক।
 


উগ্র হিন্দুবাদি দল বিজেপির অভাবনীয় সাফল্যের মাধ্যমে প্রমাণিত হল
ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র নয়, মানুষ এখন ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র চায় ।

বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা এখন কি বলবে ?


মোদির বিজয়ে জামাতের অভিনন্দন!!
.
যে মুখ দিয়ে আল্লাহর আইন ও সৎ লোকের শাসন চায়, সেই একই মুখ দিয়ে মোদিকে অভিনন্দন। অবশ্যই এটা হিকমতি রাজনিতির অংশ। মুসলিম হত্যাকারিদেরকে এবং স্বাধীন বাংলাদেশের একটি অংশের দাবীদার মোদিকে অভিনন্দন অবশ্যই হিকমতি রাজনীতি।
.
জামায়াতের সংগ্রামী নিষ্ঠাবান এবং সাহসী ভাইদের আহবান জানাই আপনারা জামাতের হিকমতি রাজনীতি ত্যাগ করে ইসলামী রাজনীতি করুন। হিযবুত তাহরীর সাথে খিলাফত প্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক আন্দলোনে যোগ দিন। আপনাদের রক্তকে হিকমতি রাজনীতির জন্য বৃথা যেতে দেবেন না। হিকমতি রাজনীতি ছেড়ে ইসলামিক রাষ্ট্র খিলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হিযবুত তাহরীর সাথে অংশগ্রহন করুন।
.
হাসিনা & গং-->কংগ্রেস-->ব্রিটেন
খালেদা & গং-->বিজেপি-->আমেরিকা


  জামায়াত মোদীকে অভিনন্দন জানিয়েছে! এতে অনেক অবাক হচ্ছেন। আমার বুঝে আসে না এতে অবাক হওয়ার এমন কী আছে?
এটা কি জামায়াতের জন্যে নতুন কিছু? এরা তো সেই জামায়াত যারা আফগানে মার্কিন হামলার সময় তালেবানের বিরুদ্ধে বহুজাতিক বাহিনীর সাথে হাত মিলিয়ে ছিল। তাদেরই প্রধান বুরহানুদ্দিন রব্বানি আমেরিকাকে বলেছিল তালেবানের বিরুদ্ধে কঠোর হতে!
জামায়াতের পাকিস্তান প্রধান কাজী হোসাইন আহমদ তো সৌদীতে গিয়ে টিটিপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন বলেছেন।
মনে আছে ব্যরিস্টার রাজ্জাক ভারতের সাথে সম্পর্কের ব্যাপারে কিছু দিন পুর্বে কী বলেছিলেন?
তারাই তো শাহবাগে চাদা দিয়েছিলো, প্যারেডে শরীক হতে চেয়েছিল।
তারাই তো স্বার্থের জন্যে কখনো এরশাদের লাঙ্গল টানবে, হাসিনার বৈঠা বাইবে, খালেদার ধান কাটবে., আমেরিকার কাছে হাত পাতবে, আর আমেরিকা তাদেরকে মডারেট উপাধি দেবে।
তারা মনে করে তারা অন্যদের ব্যবহার করছে, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে তারা সর্বদা অন্যদের দ্বারা টিস্যু হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কচুপাতার পানির মতো কখনো এদিক সেদিক হয়। যার কারণে আজ পর্যন্ত তারা মেরুদণ্ড সোজা করে দাড়াতে পারে নি। কারণ তাদের অভ্যাসের কারণে কেউ তাদেরকে বিশ্বাস করে না।
এখন যদি ভারত বা আমেরিকা বাংলাদেশে হামলা করে তখন তারা যে বুরহানুদ্দিন রব্বানির পথ ধরবে না এর কি নিশ্চয়তা আছে?
তখন যদি তারা রব্বানির পথ ধরে তাতেও অবাক হবো না!!


নাহ, আজ পুরাই গীতের মুডে আছি। কেবল একবার ক্ষমতায় যাওয়ার আশায় তোমাকে অভিনন্দন হে মোদী। কয়েক হাজার মুসলিমের রক্ত আমি পায়ে দলে যাব। আমি ভুলে যাব তোমার ইসলাম বিদ্বেষের নগ্ন ইতিহাস। হযরত আবুবকর(রাঃ) একবার রেগে গিয়ে এক কাফেরকে বলেছিলেন, ''যা তোর খোদা লাতের প্রস্রাবদ্বার চাট গিয়ে'''।
আহাহাহাহা, মোদীর মত গনতান্ত্রিক হুবালকে ঠিক একই কাজ হিকমাহর নাম দিয়ে করে যাচ্ছেন কিছু মুসলিম।
তবে কোন আফসুস নেই উনাদের। কেননা ইতিপূর্বে মোদীর বাপ ওবামাকেও যে একই কাজ করা হয়েছে।

  
বিজয়ী হবার পর মুসলিমদের পক্ষ থেকে মোদীর প্রতি কি বাণী প্রেরণ করা যায়?
আমি নিন্মোক্ত বাণী দিলাম,

"জাহান্নামের কীট, কাফির, জল্লাদ মোদী,
তোমার বিজয়ে অবশ্যই আনন্দিত। কারণ হিন্দুস্থানের শৃঙ্খলিত সেই শাসকের জায়গাটায় তোমার কুত্‍সিত চেহারার চেয়ে উপযুক্ত আর কোনটাই হবে না। আমাদের কাছে তোমার কর্তিত স্কন্ধের ঘড়ঘড় শব্দ ব্যতিত মধুর সংগীত আর কোনটিই নয়।"

জামাতের ভাইয়েরাও বাণী পাঠান। আপনাদের নেতাদের ভুলে যান।


 খবর ১ - মোদীর নেতৃত্বে ভারতে বিজেপির ল্যান্ডস্লাইড বিজয় ....!
.
খবর ২ - মুসলমানদের রক্তে রঞ্জিত খুনী মোদীকে অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াত।
.
>> কেমনে কি !!!