আজকের রাষ্ট্র প্রধানেরা , একজন মানুষের কাছে কতটুকু জবাবদিহি করতে প্রস্তুত?
আমরা জীবন বেবস্থা হিসেবে গ্রহন করেছি পুঁজিবাদ বা গনতন্ত্র। আজকের সমাজে মুসলিমরা অনেকে ইসলামকে বাদ দিয়ে গনতন্ত্র বাস্তবায়ন করার জন্য কাজ করে, অনেকে গনতন্ত্র বলে গলা শুঁকিয়ে ফেলেন।
তাদের জন্য আল্লাহ তা’য়ালা বলেন –
“ তারা কি আল্লাহ্র দেয়া বেবস্থার পরিবর্তে অন্য কোন বেবস্থার তালাশ করছে? অথচ আসমানসমূহ ও যমীনে যা আছে তা তাঁরই অনুগত্ত করে ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় এবং তাদেরকে তাঁরই নিকত প্রত্যাবর্তন করা হবে”
[সূরা আল- ইমরান ৩, আয়াত ৮৩ ]
জবাবদিহিতার কিছু সুন্দর সুন্দর কথা বলে আজ মুস্লিমদের গনতন্ত্র জোরপূর্বক হজম করানো হচ্ছে। কিন্তু ইসলাম তার থেকে বেশি জবাবাদিহিতা প্রতিষ্ঠিত করেছে। যেমন- ওমর (রাঃ) জুম্মার নামাজে খুৎবা দেয়ার সময় একজন সাধারন মুসুল্লির কাছে তাঁকে সরাসরি জবাবদিহি করতে হয়েছিল। সে ঘটনা আমরা সকলেই জানি। তখন একজন অর্ধ বিশ্বের শাসনকর্তা একজন সাধারন মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে প্রস্তুত ছিল শুধুমাত্র আল্লাহ্ র ভয়ে।
আজকের রাষ্ট্র প্রধানেরা , একজন মানুষের কাছে কতটুকু জবাবদিহি করতে প্রস্তুত?
আজকে মুসলিমরা সেই সকল বিসয় বেমালুল ভুলে গিয়ে গণতন্ত্রের জয়গান গেয়ে বেড়াচ্ছে। আহা কি পরিতাপের বিষয় !
একজন মুসলিমের জীবনের সকল আইন-কানুন আনুস্রিত হবে পবিত্র কোরআন ও হাদিস থেকে। একজন মুসলিম কখনই আল্লাহ্ তা’য়ালা প্রদত্ত জীবন বেবস্থা বাদ দিয়ে অন্য কোন বেবস্থা দ্বারা জীবন পরিচালনা করতে পারে না। আজকের সমাজের মানুষেরা ‘ পুঁজিবাদী বা গনতান্ত্রিক ’ বেবস্থা দ্বারা জীবন চালাচ্ছেন এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এ মুসলিমদেরকে কবরের ফেরেশতারা যখন জিজ্ঞাস করবে “মা দ্বীনুকা’ ?
তার জবাবে তারা বলতে বাধ্য হবে যে, ‘আমার দ্বীন ছিল পুজিবাদ’ বা ‘ ‘গনতন্ত্র’। তাহলে এ ধরণের জবাব দিয়ে কি কবরের কঠিন আযাব থেকে পরিত্রাণ পওয়া যাবে? তাহলে আমরা কোন ভরসায় ইসলামকে জীবন বেবস্থা হিসেবে গ্রহন না করে অথবা ইসলামী বেবস্থা কায়েমের ব্যাপারে নির্লিপ্ত থেকে অন্য বেবস্থা দ্বারা জীবন চালাচ্ছি ?
আল্লাহ্ তা’ য়ালা বলেন-
‘নিশ্চয়ই আল্লাহ্র কাছে একমাত্র মনোনীত দ্বীন হল ইসলাম’
[সূরা আল-ইম্রান,৩য়ায়াত-১৯]
চিন্তা করুণ। চিন্তা করুণ। চিন্তা করুণ। সমাধান আপনার কাছেই।
ব্রাজিল- আর্জেন্টিনা র খেলা দেখবেন, মজা পাবেন- কিন্তু সিরিয়া তে, বারমা তে ----লাখ লাখ মানুষ হত্যা করা হচ্ছে, তা নিয়ে কথা বলবেন না। আপনি আশলেই একজন নপুংসক।
আল্লাহ্র কসম, কেয়ামতের দিন, আল্লাহ্ ই আপনার বিচার করবে। আপাতত খেলা উপভোগ করুণ। অবশ্যই আল্লাহ্ তা' য়ালা একজন ও তিনি সর্ব প্রজ্ঞাময় ও ন্যায়বিচার আক্মাত্র আল্লাহ্ ই করে থাকেন।
হাশরের ময়দানে নিম্নোক্ত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেয়া ছাড়া কেউ এক চুলও নরতে চড়তে পারবে না । হাশরের ময়দানেতো উত্তর দিবেন'ই । তো , এখন জীবিত অবস্থায় এই মুহূর্ত পর্যন্ত কর্ম দিয়ে প্রশ্ন গুলোর উত্তর মিলিয়ে দেখেনতো , আপনি আসলেই মুসলিম কিনা ?
(১) আপনার জীবনের সময়গুলো সে কোন কাজে অতিবাহিত করছেন ?
[ খেলা-ধুলা ? কুফরি রাজনীতি ? নারী ? হারাম অর্থ আয় ? মদ ? জুয়া ? বেখেয়ালি ? আমি আসলে কি জানতাম না ? আল্লাহ্'র হুকুম মত ? ]
(২) আপনার যৌবন কাল আপনি কোন কাজে ব্যয় করছেন ?
[ খেলা-ধুলা ? কুফরি রাজনীতি ? প্রেমিকা (নারী) ? হারাম অর্থ আয় ? মদ ? জুয়া ? বেখেয়ালি ? আমি আসলে কিছু জানতাম না ? আল্লাহ্'র হুকুম মত ? ]
(৩) কিভাবে আপনি অর্থ উপার্জন করছেন ?
[ হারাম পন্থায় ? হালাল পন্থায় ? ]
(৪) আপনার উপার্জিত অর্থ-সম্পদ আপনি কিভাবে ' কোন পথে ব্যয় করছেন ?
[ পরিবারের জন্য ? কুফরি রাজনীতির জন্য ? ইসলামের জন্য ? গরিবদের জন্য ? প্রেমিক/প্রেমিকার জন্য ?
(৫) আপনি যে সত্য জ্ঞান লাভ [যতটুকু] করছেন , সে জ্ঞান অনুযায়ী কতটুকু জীবন-যাপন করতেছেন ?
[ পরিপূর্ণ ? অর্ধেক অর্ধেক ? চার ভাগের এক ভাগ ? জানি কিন্তু মানি না ? সময় কোই ? ]
-- উত্তরের জায়গায় আপনি আপনার মত করে জীবন ব্যবস্থার সকল দিক বিবেচনা করে মিলিয়ে দেখেনতো , আপনি আমি কি এই মুহূর্তে যোগ্য আছি এই হিসেব দিয়ে জান্নাত পাবার ?
আমরা জীবন বেবস্থা হিসেবে গ্রহন করেছি পুঁজিবাদ বা গনতন্ত্র। আজকের সমাজে মুসলিমরা অনেকে ইসলামকে বাদ দিয়ে গনতন্ত্র বাস্তবায়ন করার জন্য কাজ করে, অনেকে গনতন্ত্র বলে গলা শুঁকিয়ে ফেলেন।
তাদের জন্য আল্লাহ তা’য়ালা বলেন –
“ তারা কি আল্লাহ্র দেয়া বেবস্থার পরিবর্তে অন্য কোন বেবস্থার তালাশ করছে? অথচ আসমানসমূহ ও যমীনে যা আছে তা তাঁরই অনুগত্ত করে ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় এবং তাদেরকে তাঁরই নিকত প্রত্যাবর্তন করা হবে”
[সূরা আল- ইমরান ৩, আয়াত ৮৩ ]
জবাবদিহিতার কিছু সুন্দর সুন্দর কথা বলে আজ মুস্লিমদের গনতন্ত্র জোরপূর্বক হজম করানো হচ্ছে। কিন্তু ইসলাম তার থেকে বেশি জবাবাদিহিতা প্রতিষ্ঠিত করেছে। যেমন- ওমর (রাঃ) জুম্মার নামাজে খুৎবা দেয়ার সময় একজন সাধারন মুসুল্লির কাছে তাঁকে সরাসরি জবাবদিহি করতে হয়েছিল। সে ঘটনা আমরা সকলেই জানি। তখন একজন অর্ধ বিশ্বের শাসনকর্তা একজন সাধারন মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে প্রস্তুত ছিল শুধুমাত্র আল্লাহ্ র ভয়ে।
আজকের রাষ্ট্র প্রধানেরা , একজন মানুষের কাছে কতটুকু জবাবদিহি করতে প্রস্তুত?
আজকে মুসলিমরা সেই সকল বিসয় বেমালুল ভুলে গিয়ে গণতন্ত্রের জয়গান গেয়ে বেড়াচ্ছে। আহা কি পরিতাপের বিষয় !
একজন মুসলিমের জীবনের সকল আইন-কানুন আনুস্রিত হবে পবিত্র কোরআন ও হাদিস থেকে। একজন মুসলিম কখনই আল্লাহ্ তা’য়ালা প্রদত্ত জীবন বেবস্থা বাদ দিয়ে অন্য কোন বেবস্থা দ্বারা জীবন পরিচালনা করতে পারে না। আজকের সমাজের মানুষেরা ‘ পুঁজিবাদী বা গনতান্ত্রিক ’ বেবস্থা দ্বারা জীবন চালাচ্ছেন এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এ মুসলিমদেরকে কবরের ফেরেশতারা যখন জিজ্ঞাস করবে “মা দ্বীনুকা’ ?
তার জবাবে তারা বলতে বাধ্য হবে যে, ‘আমার দ্বীন ছিল পুজিবাদ’ বা ‘ ‘গনতন্ত্র’। তাহলে এ ধরণের জবাব দিয়ে কি কবরের কঠিন আযাব থেকে পরিত্রাণ পওয়া যাবে? তাহলে আমরা কোন ভরসায় ইসলামকে জীবন বেবস্থা হিসেবে গ্রহন না করে অথবা ইসলামী বেবস্থা কায়েমের ব্যাপারে নির্লিপ্ত থেকে অন্য বেবস্থা দ্বারা জীবন চালাচ্ছি ?
আল্লাহ্ তা’ য়ালা বলেন-
‘নিশ্চয়ই আল্লাহ্র কাছে একমাত্র মনোনীত দ্বীন হল ইসলাম’
[সূরা আল-ইম্রান,৩য়ায়াত-১৯]
চিন্তা করুণ। চিন্তা করুণ। চিন্তা করুণ। সমাধান আপনার কাছেই।
ব্রাজিল- আর্জেন্টিনা র খেলা দেখবেন, মজা পাবেন- কিন্তু সিরিয়া তে, বারমা তে ----লাখ লাখ মানুষ হত্যা করা হচ্ছে, তা নিয়ে কথা বলবেন না। আপনি আশলেই একজন নপুংসক।
আল্লাহ্র কসম, কেয়ামতের দিন, আল্লাহ্ ই আপনার বিচার করবে। আপাতত খেলা উপভোগ করুণ। অবশ্যই আল্লাহ্ তা' য়ালা একজন ও তিনি সর্ব প্রজ্ঞাময় ও ন্যায়বিচার আক্মাত্র আল্লাহ্ ই করে থাকেন।
হাশরের ময়দানে নিম্নোক্ত প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেয়া ছাড়া কেউ এক চুলও নরতে চড়তে পারবে না । হাশরের ময়দানেতো উত্তর দিবেন'ই । তো , এখন জীবিত অবস্থায় এই মুহূর্ত পর্যন্ত কর্ম দিয়ে প্রশ্ন গুলোর উত্তর মিলিয়ে দেখেনতো , আপনি আসলেই মুসলিম কিনা ?
(১) আপনার জীবনের সময়গুলো সে কোন কাজে অতিবাহিত করছেন ?
[ খেলা-ধুলা ? কুফরি রাজনীতি ? নারী ? হারাম অর্থ আয় ? মদ ? জুয়া ? বেখেয়ালি ? আমি আসলে কি জানতাম না ? আল্লাহ্'র হুকুম মত ? ]
(২) আপনার যৌবন কাল আপনি কোন কাজে ব্যয় করছেন ?
[ খেলা-ধুলা ? কুফরি রাজনীতি ? প্রেমিকা (নারী) ? হারাম অর্থ আয় ? মদ ? জুয়া ? বেখেয়ালি ? আমি আসলে কিছু জানতাম না ? আল্লাহ্'র হুকুম মত ? ]
(৩) কিভাবে আপনি অর্থ উপার্জন করছেন ?
[ হারাম পন্থায় ? হালাল পন্থায় ? ]
(৪) আপনার উপার্জিত অর্থ-সম্পদ আপনি কিভাবে ' কোন পথে ব্যয় করছেন ?
[ পরিবারের জন্য ? কুফরি রাজনীতির জন্য ? ইসলামের জন্য ? গরিবদের জন্য ? প্রেমিক/প্রেমিকার জন্য ?
(৫) আপনি যে সত্য জ্ঞান লাভ [যতটুকু] করছেন , সে জ্ঞান অনুযায়ী কতটুকু জীবন-যাপন করতেছেন ?
[ পরিপূর্ণ ? অর্ধেক অর্ধেক ? চার ভাগের এক ভাগ ? জানি কিন্তু মানি না ? সময় কোই ? ]
-- উত্তরের জায়গায় আপনি আপনার মত করে জীবন ব্যবস্থার সকল দিক বিবেচনা করে মিলিয়ে দেখেনতো , আপনি আমি কি এই মুহূর্তে যোগ্য আছি এই হিসেব দিয়ে জান্নাত পাবার ?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন